Fenugreek seeds are rich in antioxidants that can help fight aging largely brought on by free radical damage. কোভিড- মেথিতে উপস্থিত নানা উপাদান এই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি দিতে সক্ষম।, মেথির গুঁড়ো, জল আর লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে নিন।, মাথার আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত ১০ মিনিট মতন লাগিয়ে রেখে দিন।, মেথির বীজের গুঁড়ো এবং আমলকির গুঁড়ো মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিন।, গুণের কথা আপনারা জানলেন। এবার জেনে নিন মেথির পুষ্টিগত গুণমান যা তালিকার মাধ্যমে প্রকাশ করা হলো।, মুখে মেথির গুঁড়ো গেলে তেঁতো বোধ হয়। ফলে অনেকের বমি বমি ভাব লাগে বা মাথা ঘোরার ভাব বোধ হয়।, মেথির ব্যবহারে ব্লাড সুগারের পরিমাণ হঠাৎ কমে যেতে পারে।, মেথি দীর্ঘদিন ধরে খাওয়ার ফলে শরীর থেকে একটা দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয় যা অস্বস্তিদায়ক।, কৌমারীন থাকার জন্য মেথির দানা রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। যাদের রক্ত পাতলা তাদের মেথি রোজ ব্যবহার করার আগে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নেওয়া বাঞ্চনীয়।, গর্ভবতী মহিলারা মেথির দানা ভেজানো জল দীর্ঘদিন ধরে খেতে থাকলে সময়ের আগেই শিশুর জন্ম দেওয়া এমনকি গর্ভপাতের মতন ঘটনাও ঘটতে পারে।. The content is not intended to be a substitute for professional medical advice, diagnosis, or treatment. মেথির ব্যাবহার - How to use fenugreek seeds (methi dana) in Bengali; মেথির মাত্রা - Fenugreek Dosage in Bengali; মধুর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া - Side effects of fenugreek in Bengali; মেথির পুষ্টি সংক্রান্ত তথ্য - Fenugreek Nutrition Facts in Bengali . Fenugreek Seed nearby words. Fenugreek Seeds Health Benefits: এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ গোটা মেথি ভিজিয়ে দিন। এইভাবে ১০ মিনিট রাখুন।স্বাদ বৃদ্ধির জন্য তাতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে নিন ও উপভোগ করুন পিরিয়ডস-এর ব্যাথা প্রায় সব মেয়েদের জীবনেই বিভীষিকার মতন এবং মাসের ওই বিশেষ দিনগুলিতে মেজাজ খারাপ থাকা বা স্কুল কলেজ কামাই করবার মতন ঘটনা প্রায় সবার জীবনেই ঘটেছে। চিন্তা নেই- রান্নাঘরেই মিলবে এর সমাধান! এতেও মুশকিল আসান মেথিই। অনেক আগে থেকেই চুলকে পেকে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে মেথির (Fenugreek Seeds) ব্যবহার হয়ে আসছে।, ডায়াবিটিসের (Diabetes) রোগীদের সব সময়ই পরামর্শ দেওয়া হয় ডায়েটে মেথি যোগ করার। ডায়াবেটিক (Diabetes) রোগীদের উপর মেথি বীজের প্রভাব নিয়ে করা গবেষণায় ভাল ফলাফল পাওয়া গেছে। মেথি বীজ রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে সাহায্য করে।, আরও পড়ুনঃ ডায়াবেটিস দূরে রাখতে নয়নতারা ফুলের উপকারিতা, কার্ডিওভাস্কুলার হেলথের উপর মেথি বীজের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে। হৃদরোগের সময় হার্টে (heart) যাতে সিরিয়াস ড্যামেজ না হয়, তার জন্যই মেথি (Fenugreek Seeds) জরুরি। গোটা বিশ্বে হার্ট অ্যাটাকে  মৃত্যুর হার অনেক বেশি। যখন হৃদপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী ধমনীতে বাধার সৃষ্টি হয়, তখনই হয় হার্ট (heart) অ্যাটাক। মেথি বীজ হার্টের ক্ষতি আটকে দেয়। হার্ট অ্যাটাকের সময় যে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস তৈরি হয়, তার বিরুদ্ধে কাজ করে মেথি বীজ (Fenugreek Seeds)।, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মেথি বীজ থেকে যে তেল নিঃসৃত হয়, সেই তেল ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে। আসলে এই তেল ক্যান্সার সেল লাইন্সের সঙ্গে লড়াই করে ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।, পিরিয়ডসের সময় প্রচণ্ড পেটে ব্যথা হয়। সেটা দূর করতেও মেথির জুড়ি মেলা ভার। তা ছাড়া, পিরিয়ডসের সময় আরও যে সব সমস্যা হয়, সেগুলো থেকেও আপনাকে দূরে রাখবে মেথি। কারণ এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যানালজেসিক উপাদান। তাই পিরিয়ডসের ক্র্যাম্পস কমানোর জন্য মেথি বীজ নিয়ে গবেষণা হয়েছিল। সেই গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মেথি বীজের (Fenugreek Seeds) গুঁড়ো ব্যথা তো কমিয়ে দিয়েছেই আর মাথাব্যথা ও অন্যান্য সমস্যাও রুখে দিয়েছে।, সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর ব্রেস্ট মিল্ক প্রোডাকশন বাড়াতে মেথির ব্যবহার বহু আগে থেকেই চলে আসছে। আসলে মেথির মধ্যে রয়েছে ফাইটোইস্ট্রোজেন যা বুকের দুধের পরিমাণ বাড়ায়। সন্তান প্রসবের পর মেথির চা খেলে ব্রেস্ট মিল্কের পরিমাণ বাড়ে, যা খেয়ে নবজাতকের ওজন বাড়ে। কী করে বানাবেন মেথি চা, জেনে নিন। প্রথমে মেথি বীজ (Fenugreek Seeds) নিয়ে মিহি করে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। একটা প্যানে জল ফুটিয়ে নিয়ে তার মধ্যে মেথি বীজের পেস্ট দিয়ে দিন। স্বাদের জন্য দারচিনি, আদা যোগ করতে পারেন। এ বার প্যানটা ঢেকে দিন। তার পর ৫ মিনিট ধরে ফুটিয়ে নিন চা-টা।, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কোলস্টেরল লেভেল কমাতে মেথির দারুণ ভূমিকা। বিশেষ করে ব্যাড কোলস্টেরল। মেথিতে রয়েছে এক ধরনের ফ্ল্যাভোনয়েড। যাঁদের হাই কোলস্টেরল, তাঁদের দেহের লিপিড লেভেল কমাতে সাহায্য করে এই ফ্ল্যাভোনয়েড।, আর্থ্রাইটিসে গাঁটে গাঁটে ব্যথা হয়। সঙ্গে থাকে ইনফ্ল্যামেশনও। পেশিতেও ব্যথা হয়। মানে খুবই যন্ত্রণাদায়ক। আর মেথি হচ্ছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি আর এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস। যা আর্থ্রাইটিসের ব্যথা কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।, যাঁদের পেটের সমস্যা অথবা হজমশক্তি সে রকম ভাল নয় অথবা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় জেরবার, তাঁদের জন্য মেথি অত্যন্ত উপকারী। মেথি আসলে ডাইজেস্টিভ টনিক হিসেবে কাজ করে। আর লুব্রিকেটিং প্রপার্টিজ পাকস্থলী ও অন্ত্রকে আরাম দেয়।, সহজে ওজন কমাতে চান, অথচ ওজন কিছুতেই কমতে চায় না। সে ক্ষেত্রে ডায়েটে যোগ করুন মেথি। কী ভাবে খাবেন, তার কয়েকটা পদ্ধতি বলে দিই। একটা প্যানে কিছুটা মেথি (Fenugreek Seeds) নিয়ে নাড়াচাড়া করে নিন। তার পর সেগুলোকে গুঁড়ো করে নিন। এর পর প্রতিদিন সকালে গরম জলে ওই মেথি পাউডার মিশিয়ে খান। এমনকি রান্নাতেও ব্যবহার করতে পারেন। এর পাশাপাশি মেথি ভেজানো জলও খুব উপকারী। এটা খেলে খিদে পাবে না। যার ফলে খুব সহজেই ওজন কমতে শুরু করবে। এ ছাড়াও আর একটা টোটকা আছে। মেথি বীজ আর মধু দিয়ে তৈরি হার্বাল চা। মেথি বীজ গুঁড়ো করে নিন। একটা প্যানে জল ফুটিয়ে নিন। মেথি গুঁড়ো তার মধ্যে মিশিয়ে তিন ঘণ্টা রেখে দিন। এ বার কাপে এটা ছেঁকে নিন। তার মধ্যে লেবু ও মধু যোগ করুন। ভাল ফল পেতে প্রতিদিন সকালে পান করুন এই হার্বাল টি।, কিডনি যাতে ঠিকঠাক কাজ করতে পারে, তার জন্য খান মেথি। কারণ এর মধ্যে রয়েছে পলিফেনোলিক ফ্ল্যাভোনয়েডস। যা কিডনির কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।, লিভারের কাজ হচ্ছে শরীরের টক্সিন পরিষ্কার করা। ফলে আপনার লিভারে কিছু হলে তার প্রভাব পড়বে আপনার শরীরে ও স্বাস্থ্যে (health)। অতিরিক্ত মদ্যপান আপনার লিভারের বিপদ ডেকে আনে। সে ক্ষেত্রে মেথি (Fenugreek Seeds) মদ বা অ্যালকোহলের প্রভাব থেকে আপনার লিভারকে রক্ষা করবে। আসলে এর মধ্যে যে পলিফেনোলিক কমপাউন্ডস রয়েছে, সেটাই লিভার ড্যামেজের ঝুঁকি তো কমিয়ে দেয়ই, তার সঙ্গে সঙ্গে অ্যালকোহল মেটাবলাইজ করতেও সাহায্য করে।. এবার অধিক ঘুমে চরম বিপদ, বলছেন গবেষকরা. তাহলে জেনে নিন মেথিকে কিভাবে করে তুলতে পারেন আপনার প্রিয় বন্ধু।, মেথির বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং অন্যান্য উপাদান থাকে যা হজমের ক্ষমতা এবং শরীরের কার্বোহাইড্রেট আর সুগার শোষণ করে নেওয়ার ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। মেথি শরীরে ইন্সুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় |, বর্তমানে করা রিসার্চ অনুযায়ী প্রতিদিন গরম জলে ভিজিয়ে রাখা ১০ গ্রাম মেথির বীজ ডায়াবিটিস টাইপ ২  নিয়ন্ত্রণ করবার জন্য দারুণ কার্যকর। মেথির গম দিয়ে বানানো রুটি, পাউরুটি টাইপ ২ ডায়াবেটিস আক্রান্ত মানুষদের ইনসুলিন প্রতিরোধ করবার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। (2), মেথি শুধুমাত্র রক্তে উপস্থিত কলেস্টেরল থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে তা নয় আপনার শরীরকেও ধীরে ধীরে কলেস্টেরল থেকে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে ভীষণভাবে সক্ষম।, মেথি শরীরের লিপো প্রোটিন বা ব্যাড প্রোটিন কমাতে সাহায্য করে। মেথির বীজে উপস্থিত স্টেরয়েডাল স্যাপোনিন ক্ষুদ্রান্তে কলেস্টেরল-এর আত্তীকরণের হার কমিয়ে দেয়। এছাড়া লিভার থেকে উৎপন্ন তরলের শোষণের হার কমিয়ে দিতেও কার্যকর। চর্বিযুক্ত খাবার থেকে নির্গত হতে থাকা ট্রিগ্লাইসারাইড-এর শোষণের মাত্রাও মেথি কমিয়ে দিতে সক্ষম। (3), Arthritis বা বাতের ব্যাথা প্রায় সকল চল্লিশোর্ধ্ব মানুষেরই সমস্যা। ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ-এর প্রতিবেদন অনুসারে মেথির ইস্ট্রোজেনের ওপরে প্রভাব এতটাই বেশি যে বর্তমানে ডাক্তারেরা মেথির ব্যবহারকে ইস্ট্রোজেন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির সাথে তুলনা করছেন। মেথি বাতের তীব্র ব্যথা বেদনা কমাতে ভীষণভাবে কার্যকর।, হার্টের স্বাস্থ্য রক্ষায় মেথির উপকারিতা অপরিসীম। মেথি শরীরে থেকে অ্যাসিডের পরিমাণ খুব দ্রুত কমাতে পারে। শরীরের অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এর থেকে কার্যকরী ভেষজ মেলা ভার। মেথির বীজ সারারাত্রি জলে ভিজিয়ে রেখে দিয়ে পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেয়ে নিলে হার্টের ব্যাথা বা বুক জ্বালার মতন সমস্যা গুলো ওষুধ না খেয়েই ঘরোয়া পদ্ধতিতে কমে যাবে। (4). ইউটেরাসে মৃত টিস্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকলেই পিরিয়ডস-এর ব্যাথা শুরু হয়। মাসের ওই বিশেষ দিনগুলিতে গরম গরম মেথি দিয়ে বানানো চা হতে পারে এই ব্যাথার হাত থেকে মুক্তি পাবার মোক্ষম দাওয়াই। (5), মেথির বীজে প্রচুর ফাইবার এবং অন্যান্য উপাদান থাকে যা কিনা হজমের ক্ষমতা এবং শরীরের কার্বোহাইড্রেট আর সুগার শোষণ করে নেওয়ার ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। মেথিদানা ভিজানো জল প্রোটিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেলে হজমের সমস্যা ধীরে ধীরে চলে যেতে বাধ্য।  (6), সাম্প্রতিক কালের একটা গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে মেথির ব্যবহার করবার ফলে ক্যান্সার হবার আশঙ্কা কমেছে। কর্কটরোগ থেকে রক্ষা পেতে ডাক্তারেরা রান্নায় মেথির ব্যবহার করতেও বলছেন। বিশেষ করে মহিলাদের জন্য মেথি রান্নায় অবশ্যই মেশানো উচিৎ কেননা মেথিতে উপস্থিত ট্রাইগ্লিসেরাইড এস্ট্রোজেন গ্রহণকারী মডিউলেটারের কাজ করে এবং ব্রেস্ট ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষগুলোকে উদ্দীপিত করতে করতে একসময়ে ধ্বংস করে দেয়।, মেথিতে উপস্থিৎ ডায়োসজেনিন দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি করে | মেথিতে উপস্থিৎ ভিটামিন, মিনারেল মায়ের দুধের পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে তা নবজাতকের জন্য অত্যন্ত উৎকৃষ্ট মানের করে তোলে | (7), মেথি দানা হল লোহা, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, তামা, ভিটামিন বি সিক্স, প্রোটিন, ফাইবার, অনেক উপকারী ভিটামিন এবং খনিজের উৎস। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ফ্লামেটরী বৈশিষ্ট্য রয়েছে।, মেথি বীজে এক ফাইবার থাকে যা গ্যালাক্টোমান্নান নামে পরিচিত এবং সহজে জলে গুলে যায়, যা ওজন পরিচালনায় এবং আপনাকে পূর্ণ অনুভব করিয়ে খিদের অনভূতিকে প্রশমন করে ওজন হ্রাসে সাহায্য করে। এছাড়াও শরীরের মেটাবলিসম কে বৃদ্ধি করে, যার ফলে মেদ ঝরে যাওয়া এবং অন্য এডিপোশ টিসুর কর্মক্ষমতা হ্রাস পেয়ে যায়।, ২০১৫ সালের এক গবেষণায়, নয়জন ওভারওয়েট কোরিয়ান মহিলা লাঞ্চের আগে একটি শিম, মেথি, এবং প্লাসিবো চা পান করেছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী মেথি চা যারা পান করেছিলেন তারা কম ক্ষুধার্ত এবং পূর্ণ অনুভূব করেছিলেন। (8), মেথির বীজ উচ্চ পটাসিয়াম এবং ফাইবার সামগ্রীর উপস্থিতির কারণে রক্তচাপ হ্রাসের জন্য কার্যকর উপাদান। এক বা দুই চা চামচ মেথি দানা জলের মধ্যে দুই  মিনিটের জন্য ফুটিয়ে নিন, সেটি ছেঁকে নিয়ে বীজগুলিকে একটি ব্লেন্ডারের ভিতরে দিয়ে একটি পেস্ট বানান এবং সেটি দিনে দুবার সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। এটি অনুসরণ করলে আপনি দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই উন্নতি লক্ষ্য করবেন।, ২০০৭  সালে “ফাইটোথেরাপি রিসার্চ”-এ প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুযায়ী, ক্যালসিয়াম অক্সালেট জাতীয় কিডনির পাথর প্রতিরোধ করতে মেথি সক্ষম। গবেষণার ফলাফলে দেখা গিয়েছে যে মেথি গ্রহণকারী প্রাণীগুলির কিডনিতে উল্লেখযোগ্যভাবে কম ক্যালসিফিকেশন হয়েছে।, ২০০৭ সালে প্রকাশিত “জীববিজ্ঞান ও বিষবিদ্যাবিষয়ক” গবেষণায় এস কাভিয়ারসন বলেছেন, মেথি অ্যালকোহলযুক্ত ক্ষতির বিরুদ্ধে লিভারকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। দীর্ঘদিন এলকোহলে আসক্ত মানুষদের চর্বিযুক্ত লিভার ও ফাইব্রোসিস থাকে যা কোলাজেন সংশ্লেষণের দ্বারা নির্মূল করা যেতে পারে। গবেষণায় দেখা যায় যে, মেথি লিভারে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এনজাইমগুলির ক্রিয়াকলাপ বাড়ায় |, ত্বকের পরিচর্যাতেও মেথি একইরকম প্রয়োজনীয়। ঘরে মজুদ থাকা মেথির বীজকেই কিভাবে নিজের রূপচর্চার গোপন রহস্য বানিয়ে তুলবেন তা জেনে নিন চটপট। (9), মেথির বীজে উপস্থিত এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল পদার্থ আপনার ব্রণ নির্মূল করে তোলে। শুধুমাত্র মেথির দানা আর গরম জল ব্যবহার করেই ব্রণ মুক্ত ত্বক পাওয়া সম্ভব। (10), মেথির ভিতর থাকা এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল পদার্থ ত্বকের গভীরে যায়। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করলে ব্রণর দাগের হাত থেকে মুক্তি দিতেও সক্ষম।, বাজারচলতি এন্টি-এজিং ক্রিমগুলো ব্যবহার করেও কোনো ফল পাচ্ছেন না?